Breaking

Showing posts with label article. Show all posts
Showing posts with label article. Show all posts

Sunday, May 20, 2018

May 20, 2018

২০১৮ এর রমজান মাসের ক্যালেন্ডার - Ramadan Masher Calendar 2018

দেখেনিন ২০১৮ এর রমজান মাসের ক্যালেন্ডার


এই ক্যালেন্ডারটি রমজান মাসের দেহরির শেষ সময় এবং ইফতারের সময় জানে আপনাকে সাহায্য করবে।
ভাল লাগলে সবার সাথে সেয়ার করুন ধন্যবাদ।


Saturday, March 31, 2018

March 31, 2018

বোনদের নামাজ পড়ার সঠিক গাইড - Bonder Manaz Porar Sothik Guide

বোনদের নামাজ পড়ার সঠিক গাইড

বোনদের নামাজ পড়ার সঠিক গাইড


মহিলাদের নামায-পদ্ধতি পুরুষের নামাযের মত নয়

নারী-পুরুষের শারীরিক গঠন, সক্ষমতা, নিরাপত্তা ইত্যাদি নানা বিষয়ে যেমন ‎পার্থক্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্য রয়েছে ইবাদতসহ শরীয়তের অনেক বিষয়ে। ‎‎যেমন, সতর। পুরুষের সতর হচ্ছে নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত, পক্ষান্তরে পরপুরুষের ‎সামনে মহিলার প্রায় পুরো শরীরই ঢেকে রাখা ফরয। নারী-পুরুষের মাঝে এরকম ‎পার্থক্যসম্বলিত ইবাদতসমূহের অন্যতম হচ্ছে নামায। তাকবীরে তাহরীমার জন্যে ‎হাত উঠানো, হাত বাধা, রুকু, সেজদা, ১ম ও শেষ বৈঠক ইত্যাদি ক্ষেত্রগুলোতে ‎পুরুষের সাথে নারীর পার্থক্য রয়েছে। তাদের সতরের পরিমান যেহেতু বেশী, ‎তাই যেভাবে তাদের সতর বেশী রক্ষা হয় সেদিকটিও বিবেচনা করা হয়েছে এ ‎‎ক্ষেত্রগুলোতে। মুসলিম উম্মাহর প্রায় দেড় হাজার বছরের অবিচ্ছিন্ন আমলের ‎ধারা তাই প্রমাণ করে। বিষয়টি প্রমাণিত রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ‎ওয়াসাল্লামের হাদীস, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগণের ফতোয়া ও আছারের ‎মাধ্যমেও। ‎

প্রথমে আমরা এ সংক্রান্ত মারফূ’ হাদীস, এবং পরে পর্যায়ক্রমে সাহাবায়ে কেরাম ‎ও তাবেয়ীগণের ফতোয়া ও আছার উল্লেখ করবো।‎

মারফু’ হাদীস

‎১.‎‏ ‏তাবেয়ী ইয়াযীদ ইবনে আবী হাবীব র. বলেন,‎

‏…. أن رسول الله – صلى الله عليه وسلم – مر على امرأتين تصليان، فقال: ‏اذا سجدتما فضما بعض اللحم الى الأرض، فإن المرأة ليست في ذلك كالرجل. ‏‏(كتاب المراسيل للإمام أبو داود)‏

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযরত দুই মহিলার পাশ ‎দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাদেরকে (সংশোধনের উদ্দেশ্যে ) বললেন, যখন ‎‎সেজদা করবে তখন শরীর যমীনের সাথে মিলিয়ে দিবে। কেননা মহিলারা এ ‎‎ক্ষেত্রে পুরুষদের মত নয়।” (কিতাবুল মারাসীল, ইমাম আবু দাউদ ৫৫, হাদীস ৮০)‎

প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস আলেম নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‎“আওনুল বারী” (১/৫২০) তে লিখেছেন, ‘উল্লিখিত হাদীসটি সকল ইমামের ‎উসূল অনুযায়ী দলীল হিসেবে পেশ করার যোগ্য।’

মুহাদ্দিস মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমীর ইয়ামানী ‘সুবুলুস সালাম শরহু বুলুগিল ‎মারাম’ গ্রন্থে (১/৩৫১,৩৫২) এই হাদীসকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করে পুরুষ ও ‎মহিলার সেজদার পার্থক্য করেছেন।‎

‎২. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত,‎

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- :্র إِذَا جَلَسْتِ الْمَرْأَةُ فِى الصَّلاَةِ وَضَعَتْ ‏فَخِذَهَا عَلَى فَخِذِهَا الأُخْرَى ، وَإِذَا سَجَدْتْ أَلْصَقَتْ بَطْنَهَا فِى فَخِذَيْهَا كَأَسْتَرِ مَا ‏يَكُونُ لَهَا ، وَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَنْظُرُ إِلَيْهَا وَيَقُولُ : يَا مَلاَئِكَتِى أُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ ‏غَفَرْتُ لَهَا গ্ধ.‏‎ ‎رواه البيهقي في السنن الكبرى ٢/٢٢٣ في كتاب الصلاة (باب ما ‏يستحب للمرأة من ترك التجافي في الركوع والسجود)، وفيه أبو مطيع البلخي ‏وقال العقيلي فيه : كان مرجئا صالحا في الحديث.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মহিলা যখন নামাযের মধ্যে ‎বসবে তখন যেন (ডান) উরু অপর উরুর উপর রাখে। আর যখন সেজদা ‎করবে তখন যেন পেট উরুর সাথে মিলিেেয় রাখে; যা তার সতরের জন্যে অধিক ‎উপযোগী।‎‏ ‏আল্লাহ তাআলা তাকে দেখে (ফেরেশতাদের সম্বোধন করে) বলেন, ‎ওহে আমার ফেরেশতারা! তোমরা সাক্ষী থাক, আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম। ‎সুনানে কুবরা, বায়হাকী ২/২২৩, অধ্যায়: সালাত, পরিচ্ছেদ: মহিলার জন্যে রুকু ও ‎‎সেজদায় এক অঙ্গ অপর অঙ্গ থেকে পৃথক না রাখা মুস্তাহাব। এটি হাসান হাদীস।‎

‎৩. হযরত ওয়াইল ইবনে হুজর রা. বলেন,‎

جئت النبي صلى الله عليه و سلم فقال : فساق الحديث. وفيه: يا وائل بن ‏حجر إذا صليت فاجعل يديك حذاء أذنيك والمرأة تجعل يديها حذاء ثدييها. ‏‏(رواه الطبراني في الكبير جـ ٢٢ صـ ١٩-٢٠ )‏

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে দরবারে হাজির হলাম। তখন ‎তিনি আমাকে (অনেক কথার সাথে একথাও) বলেছিলেন: হে ওয়াইল ইবনে ‎হুজর! যখন তুমি নামায শুরু করবে তখন কান বরাবর হাত উঠাবে। আর মহিলা ‎হাত উঠাবে বুক বরাবর। (আলমুজামুল কাবীর, তাবারানী ১৯-২০/২২, এই ‎হাদীসটিও হাসান) ‎

উল্লিখিত হাদীসগুলো থেকে একথা স্পষ্ট হয়ে যায়, কিছু কিছু হুকুমের ক্ষেত্রে ‎মহিলার নামায আদায়ের পদ্ধতি পুরুষের নামায আদায়ের পদ্ধতি থেকে ভিন্ন। ‎বিশেষত ২নং হাদীসটি দ্বারা একথাও বোঝা গেল যে, মহিলার নামায আদায়ের ‎শরীয়ত নির্ধারিত ভিন্ন এই পদ্ধতির মধ্যে ওই দিকটিই বিবেচনায় রাখা হয়েছে যা ‎তার সতর ও পর্দার পক্ষে সর্বাাধিক উপযোগী।‎

উল্লেখ্য, এই সব হাদীসের সমর্থনে মহিলাদের নামায আদায়ের পদ্ধতির পার্থক্য ‎ও ভিন্নতাকে নির্দেশ করে এমন আরো কিছু হাদীস রয়েছে। পক্ষান্তরে এগুলোর ‎সাথে বিরোধপূর্ণ একটি হাদীসও কোথাও পাওয়া যাবেনা যাতে বলা হয়েছে যে, ‎পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্ধতিতে কোন পার্থক্য নেই; বরং উভয়ের নামাযই ‎এক ও অভিন্ন।‎

সাহাবায়ে কেরামের ফতোয়া

‎১. হযরত আলী রা. বলেছেন,‎

إذا سجدت المرأة فلتحتفز ولتصق فخذيها ببطنها. رواه عبد الرزاق في المصنف ‏واللفظ له، وابن أبي شيبة في المصنف أيضا وإسناده جيد، والصواب في الحارث ‏هو التوثيق.‏

‏”‏‎ মহিলা যখন সেজদা করবে তখন সে যেন খুব জড়সড় হয়ে সেজদা করে ‎এবং উভয় উরু পেটের সাথে মিলিয়ে রাখে।”

‎(মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৩/১৩৮, অনুচ্ছেদ: মহিলার তাকবীর, কিয়াম, রুকু ও ‎‎সেজদা;‎‏ ‏মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ২/৩০৮; সুনানে কুবরা, বায়হাকী ২/২২২)‎

‎২. হযরত ইবনে আব্বাস রা. এর ফতোয়া:‎

عن ابن عباس أنه سئل عن صلاة المرأة، فقال : “تجتمع وتحتفز”(رواه ابن أبي ‏شيبة ورجاله ثقات)‏

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে, মহিলা কীভাবে নামায ‎আদায় করবে? তিনি বললেন, খুব জড়সড় হয়ে অঙ্গের সাথে অঙ্গ মিলিয়ে নামায় ‎আদায় করবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১/৩০২)‎

উপরে মহিলাদের নামায আদায় সম্পর্কে দু’জন সাহাবীর যে মত বর্ণিত হল, ‎আমাদের জানামতে কোনো হাদীসগ্রন্থের কোথাও একজন সাহাবী থেকেও এর ‎বিপরীত কিছু বিদ্যমান নেই।‎

রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সাহাবায়ে কেরাম যে দীন ‎শিখেছেন, তাঁদের কাছ থেকে তা শিখেছেন তাবেয়ীগণ। তাঁদের ফতোয়া থেকেও ‎এ কথাই প্রতীয়মান হয়- মহিলাদের নামায পুরুষের নামায থেকে ভিন্ন। নি¤েœ ‎তাঁদের মধ্য থেকে প্রসিদ্ধ কয়েকজনের ফতোয়া উল্লেখ করা হলো:‎

‎১. হযরত আতা ইবনে আবী রাবাহ র. কে জিজ্ঞেস করা হল,‎

كيف ترفع يديها في الصلاة قال حذو ثدييها .‏

নামাযে মহিলা কতটুকু হাত উঠাবে? তিনি বললেন, বুক বরাবর। (মুসান্নাফে ‎ইবনে আবী শায়বা ১/২৭০)‎

‎২. ইবনে জুরাইজ র. বলেন,‎

قلت لعطاء تشير المرأة بيديها بالتكبير كالرجل قال لا ترفع بذلك يديها كالرجل ‏وأشار فخفض يديه جدا وجمعهما إليه جدا وقال إن للمرأة هيئة ليست للرجل ‏وإن تركت ذلك فلا حرج ‏

আমি আতা ইবনে আবী রাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম, মহিলা তাকবীরের সময় ‎পুরুষের সমান হাত তুলবে? তিনি বললেন, মহিলা পুরুষের মত হাত উঠাবেনা। ‎এরপর তিনি (মহিলাদের হাত তোলার ভঙ্গি দেখালেন এবং) তার উভয় হাত ‎‎(পুরুষ অপেক্ষা) অনেক নিচুতে রেখে শরীরের সাথে খুব মিলিয়ে রাখলেন এবং ‎বললেন, মহিলাদের পদ্ধতি পুরুষ থেকে ভিন্ন। তবে এমন না করলেও অসুবিধা ‎‎নেই।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১/২৭০)‎

‎৩. মুজাহিদ ইবনে জাবর র. থেকে বর্ণিত:‎

عن مجاهد بن جبر أنه كان يكره أن يضع الرجل بطنه على فخذيه إذا سجد كما ‏تضع المرأة .‏

‎ তিনি পুরুষের জন্যে মহিলার মত উরুর সাথে পেট লাগিয়ে সেজদা করাকে ‎অপছন্দ করতেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১/৩০২)‎

‎৪. যুহরী র. বলেন,‎

ترفع يديها حذو منكبيها .‏

মহিলা কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠাবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১/২৭০)‎

‎৫. হাসান বসরী ও কাতাদা র. বলেন,‎

إذا سجدت المرأة فإنها تنضم ما استطاعت ولا تتجافي لكي لا ترفع عجيزتها ‏

মহিলা যখন সেজদা করবে তখন সে যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে থাকবে। অঙ্গ-‎প্রত্যঙ্গ ফাঁকা রেখে সেজদা দিবেনা; যাতে কোমর উচু হয়ে না থাকে।‎

‎(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১/৩০৩, মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৩/১৩৭)‎

‎৬. ইবরাহীম নাখায়ী র. বলেন,‎

إذا سجدت المرأة فلتضم فخذيها ولتضع بطنها عليهما

মহিলা যখন সেজদা করবে তখন যেন সে উভয় উরু মিলিয়ে রাখে এবং পেট ‎উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ১/৩০২)‎

‎৭. ইবরাহীম নাখায়ী র. আরো বলেন,‎

‏ كانت تؤمر المرأة أن تضع ذراعها وبطنها‎ ‎على فخذيها إذا سجدت ، ولا ‏تتجافى كما يتجافى الرجل ، لكي لا ترفع عجيزتها

মহিলাদের আদেশ করা হত তারা যেন সেজদা অবস্থায় হাত ও পেট উরুর সাথে ‎মিলিয়ে রাখে। পুরুষের মত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফাঁকা না রাখে; যাতে কোমর উঁচু হয়ে ‎না থাকে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৩/১৩৭)‎

‎৮. খালেদ ইবনে লাজলাজ র. বলেন,‎

كن النساء يؤمرن أن يتربعن إذا جلسن في الصلاة ولا يجلسن جلوس الرجال على ‏أوراكهن يتقي ذلك على المرأة مخافة أن يكون منها الشئ .‏

মহিলাদেরকে আদেশ করা হত তারা যেন নামাযে দুই পা ডান দিক দিয়ে বের ‎করে নিতম্বের উপর বসে। পুরুষদের মত না বসে। আবরণযোগ্য কোন কিছু ‎প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার আশংকায় মহিলাদেরকে এমনটি করতে হয়। (মুসান্নাফে ‎ইবনে আবী শায়বা ১/৩০৩)‎

উল্লিখিত বর্ণনাগুলো ছাড়াও আয়িম্মায়ে তাবেয়ীনের আরো কিছু বর্ণনা এমন আছে ‎যা মহিলা-পুরুষের নামাযের পার্থক্য নির্দেশ করে। পক্ষান্তরে একজন তাবেয়ী ‎‎থেকেও এর বিপরীত বক্তব্য প্রমাণিত নেই। ‎

চার ইমামের ফিকহের আলোকে:‎

ফিকহে ইসলামীর চারটি সংকলন মুসলিম উম্মাহর মাঝে প্রচলিত- ফিকহে ‎হানাফী, ফিকহে মালেকী, ফিকহে হাম্বলী ও ফিকহে শাফেয়ী। এবারে আমরা এই ‎চার ফিকহের ইমামের মতামত উল্লেখ করছি।‎

‎১. ফিকহে হানাফী‎

ইমাম আবূ হানীফা র. এর অন্যতম প্রধান শিষ্য ইমাম মুহাম্মদ র. বলেন, ‎

أحب إلينا أن تجمع رجليها في جانب ولا تنتصب انتصاب الرجل.‏

আমাদের নিকট মহিলাদের নামাযে বসার পছন্দনীয় পদ্ধতি হলো- উভয় পা ‎একপাশে মিলিয়ে রাখবে, পুরুষের মত এক পা দাঁড় করিয়ে রাখবেনা। ‎

কিতাবুল আসার, ইমাম মুহাম্মদ, ১/৬০৯‎

‎২. ফিকহে মালেকী‎

মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহ ইমাম আবুল আব্বাস আলকারাফী র. ইমাম ‎মালেক র. এর মত উল্লেখ করেন,‎

وأما مساواة النساء للرجال ففي النوادر عن مالك تضع فخذها اليمنى على اليسرى ‏وتنضم قدر طاقتها ولا تفرج في ركوع ولا سجود ولا جلوس بخلاف الرجل

নামাযে মহিলা পুরুষের মত কিনা এ বিষয়ে ইমাম মালেক র. থেকে বর্ণিত, ‎মহিলা ডান উরু বাম উরুর উপর রাখবে এবং যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে বসবে। ‎রুকু, সেজদা ও বৈঠক কোন সময়ই ফাঁক ফাঁক হয়ে বসবেনা, পক্ষান্তরে পুরুষের ‎পদ্ধতি ভিন্ন। আযযাখীরা , ইমাম কারাফী, ২/১৯৩।‎

‎৩. ফিকহে হাম্বলী

‎ ইমাম আহমদ র. এর ফতোয়া উল্লেখ আছে ইমাম ইবনে কুদামা র. কৃত ‎‘আলমুগনী’ তে:‎

فأما المرأة فذكر القاضي فيها روايتين عن أحمد إحداهما ترفع لما روى الخلال ‏بإسناده عن أم الدرداء وحفصة بنت سيرين أنهما كانتا ترفعان أيديهما وهو قول ‏طاوس ولأن من شرع في حقه التكبير شرع في حقه الرفع كالرجل فعلى هذا ترفع ‏قليلا قال أحمد رفع دون الرفع والثانية لا يشرع لأنه في معنى التجافي ولا يشرع ‏ذلك لها بل تجمع نفسها في الركوع والسجود وسائر صلاتها

তাকবীরের সময় মহিলারা হাত উঠাবে কি উঠাবে না এ বিষয়ে কাজী (আবু ‎ইয়ায) ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে দুটি মত উল্লেখ করেছেন। প্রথম মত ‎অনুযায়ী হাত তুলবে। কেননা, খাল্লাল হযরত উম্মে দারদা এবং হযরত হাফসা ‎বিনতে সীরীন থেকে সনদসহ বর্ণনা করেন, তারা হাত উঠাতেন। ইমাম তাউসের ‎বক্তব্যও তাই। উপরন্তু যার ব্যাপারে তাকবীর বলার নির্দেশ রয়েছে তার ব্যাপারে ‎হাত উঠানোরও নির্দেশ রয়েছে। যেমন পুরুষ করে থাকে এ হিসেবে মহিলা হাত ‎উঠাবে, তবে সামান্য। আহমাদ র. বলেন, তুলনামূলক কম উঠাবে। দ্বিতীয় মত ‎এই যে, মহিলাদের জন্যে হাত উঠানোরই হুকুম নেই। কেননা, হাত উঠালে ‎‎কোন অঙ্গকে ফাঁক করতেই হয় অথচ মহিলাদের জন্যে এর বিধান দেওয়া হয়নি। ‎বরং তাদের জন্যে নিয়ম হল রুকু সেজদাসহ পুরো নামাযে নিজেদেরকে গুটিয়ে ‎রাখবে। আলমুগনী, ইবনে কুদামা, ২/১৩৯।‎

‎৪. ফিকহে শাফেয়ী‎

ইমাম শাফেয়ী র. বলেন,‎

وقد أدب الله تعالى النساء بالاستتار وأدبهن بذلك رسول الله صلى الله عليه ‏وسلم وأحب للمرأة في السجود أن تضم بعضها إلى بعض وتلصق بطنها ‏بفخذيها وتسجد كأستر ما يكون لها وهكذا أحب لها في الركوع والجلوس وجميع ‏الصلاة أن تكون فيها كأستر ما يكون لها.‏

আল্লাহ পাক মহিলাদেরকে পুরোপুরি আবৃত থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। তার রাসূল ‎সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও অনুরূপ শিক্ষা দিয়েছেন। তাই আমার নিকট ‎পছন্দনীয় হল, সেজদা অবস্থায় মহিলারা এক অঙ্গের সাথে অপর অঙ্গকে মিলিয়ে ‎রাখবে। পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখবে এবং সেজদা এমনভাবে করবে যাতে ‎সতরের চূড়ান্ত হেফাযত হয়। অনুরূপ রুকু, বৈঠক ও গোটা নামাযে এমনভাবে ‎‎থাকবে যাতে সতরের পুরোপুরি হেফাযত হয়। কিতাবুল উম্ম, শাফেয়ী, ১/১৩৮‎

‎দেখা যাচ্ছে, হাদীসে রাসূল, সাহাবা ও তাবেয়ীনের ফতোয়া ও আছারের মতই ‎চার মাযহাবের চার ইমামের প্রত্যেকেই পুরুষের সাথে মহিলাদের নামাযের ‎পার্থক্যের কথা বলেছেন। মুসলিম উম্মাহর অনুসৃত উপরোক্ত কেউ-ই বলছেন না, ‎মহিলাদের নামায পুরুষের নামাযের অনুরূপ। বরং সকলেই বলছেন, পুরুষের ‎নামায থেকে মহিলার নামায কিছুটা ভিন্ন। ‎

‎ নারী-পুরুষের নামাযের এ পার্থক্য শুধু যে এ চার মাযহাবের উলামায়ে কেরাম ও ‎অনুসারীগণ-ই স্বীকার করেন, বিষয়টি এমন নয়। বরং আমাদের যে আহলে ‎হাদীস বা লা-মাযহাবী ভাইয়েরা এ পার্থক্যকে অস্বীকার করেন, তাদেরও কোন ‎‎কোন অনুসৃত আলেম এপার্থক্যকে স্বীকার করেছেন। ‎

মাওলানা মুহাম্মদ দাউদ গযনবী রহ. এর পিতা আল্লামা আব্দুল জাব্বার গযনবী ‎র. কে জিজ্ঞেস করা হল, মহিলাদের নামাযে জড়সড় হয়ে থাকা কি উচিত? ‎জবাবে তিনি একটি হাদীস উল্লেখ করে লেখেন, এর উপরই আহলে সুন্নাত ওয়াল ‎জামাআতের চার মাযহাব ও অন্যান্যদের মাঝে আমল চলে আসছে। ‎

এরপর তিনি চার মাযহাবের কিতাবের উদ্ধৃতি প্রদান করার পর লেখেন, মোট ‎কথা, মহিলাদের জড়সড় হয়ে নামায পড়ার বিষয়টি হাদীস ও চার মাযহাবের ‎ইমামগণ ও অন্যান্যের সর্বসম্মত আমলের আলোকে প্রমাণিত। এর অস্বীকারকারী ‎হাদীসের কিতাবসমূহ ও উম্মতের সর্বসম্মত আমল সম্পর্কে বেখবর ও অজ্ঞ। ‎

ফাতওয়া গযনবিয়্যা, ২৭ ও ২৮; ফাতাওয়া উলামায়ে আহলে হাদীস, ৩/১৪৮-১৪৯; ‎মাজমুআয়ে রাসায়েল, মাওলানা আমীন সফদর উকারবী, ১/৩১০-৩১১।‎

মাওলানা আলী মুহাম্মদ সাঈদ ‘ফাতাওয়া উলামায়ে আহলে হাদীস ’ গ্রন্থে এই ‎পার্থক্যের কথা স্বীকার করেছেন। মাজমুআয়ে রাসায়েল, ১/৩০৫।‎

মাওলানা আব্দুল হক হাশেমী মুহাজিরে মক্কী র. তো এই পার্থক্য সম্পর্কে স্বতন্ত্র ‎পুস্তিকাই রচনা করেছেন। পুস্তিকাটির নাম

‎ ‎نصب العمود في تحقيق مسألة تجافي المرأة في الركوع والسجود والقعود.‏

‎ মুহাদ্দিস আমীর ইয়ামানী র. ‘সুবুলুস সালাম’ গ্রন্থে এবং স্বসময়ের আহলে ‎হাদীসদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আলেম নবাব সিদ্দীক হাসান খান র. ‘আউনুল ‎বারী’ তে নারী-পুরুষের নামাযের পার্থক্যের পক্ষেই তাদের মত ব্যক্ত করেছেন। ‎আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে সহীহভাবে বিষয়টি অনুধাবন করার তৌফিক ‎‎দান করুন। আমীন।‎

Friday, March 30, 2018

March 30, 2018

ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কে কিছু হাদিস - Imam Mahdi (a) Somporke Kichu Hadis

ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কে কিছু হাদিস

মাহদী (আ.) সম্পর্কে কিছু হাদিস

আমর ইবনে উছমান (র) ---- জাবির ইবনে সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ ( সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, এ দীন ততক্ষণ পর্যন্ত কায়েম থাকবে, যতক্ষণ না তােমাদের উপর সর্ব সম্মতি ক্রমে নির্বাচিত বার জন খলীফা (নিযুক্ত) হয়।
(রাবী বলেনঃ) এরপর আমি নবী ( সাঃ) কে আরাে কিছু বলতে শুনি, কিন্তু আমি তা বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করি যে, তিনি কি বলেছেন? তিনি বলেন  এ সমস্ত খলীফা কুরায়শ বংশ থেকে হবে। আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩০

মূসা ইবনে ইসমাঈল (র) ---- জাবির ইবনে সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ ( সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, “বার জন খলীফা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এ দীন "সম্মানের সাথে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। রাবী বলেনঃ একথা শুনে সাহাবীগণ তাকবীর দেন এবং চিৎকার করেন। এর পর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আস্তে আস্তে কিছু বলেন, (যা আমি শুনতে না পাওয়ায়) আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করি। হে আমার প্রিয় পিতা! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কি বলেছেন? তিনি বলেনঃ সে সব খলীফা কুরায়শ বংশ থেকে হবে।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩১
ইবনে নুফাল (র) ---- জাবির ইবনে সামুরা (রা) এ হাদীছ বর্ণনা প্রসংগে আরো অতিরিক্ত উল্লেখ করেন যে, এরপর তিনি (রাসূলুল্লাহ) তা তার ঘরে ফিরে কুরায়শগণ এসে জিজ্ঞাসা করেন।
এর পর কি হবে? তিনি (রাসূলুল্লাহ) বলেনঃ তারপর ‘হারাজ' অর্থাৎ হত্যা ও খুন-খারাবী শুরু হবে।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩২

মুসাদ্দাদ (র) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ নবী কারিম (সাঃ) বলেছেনঃ যদি দুনিয়ার মাত্র একদিনও বাকী থাকে, তবুও আল্লাহ সেদিনকে এত দীর্ঘ করে দেবেন যে, তাতে আমার থেকে অথবা আমার আহলে-বায়ত থেকে এমন এক ব্যক্তিকে পয়দা করবেন, যার নাম হবে আমার নামের মত এবং তার পিতার নাম হবে আমার পিতার নামের মত।
রাৰী ফিতর (র) এর হাদীছে এরূপ অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, সে ব্যক্তি যমীনকে আদল ও ইনসাফে পূর্ণ করবে, যেরূপ তা অন্যায়-অবিচারে পূর্ণ হয়েছিল।
রাবী সুফিয়ান (র) এর হাদীছে আছে যে, (নবী সাঃ) বলেছেনঃ দুনিয়া ততক্ষণ ধ্বংস হবে না, যতক্ষণ না আমার বংশ থেকে একজন আরবের শাসনকর্তা নিযুক্ত হবে। যার নাম হবে আমার নামের মত।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩৩


 উছমান ইবনে আবু শায়বা (র) ---- আলী (রাঃ) থেকে বলেছেন।তিনি বলেন নবী (সাঃ) বলেছেন যদি আকাশের একটি দিনও অবশিষ্ট থাকে, তবুও মহান আল্লাহ আমার আহলে-বায়ত থেকে এমন এক ব্যক্তিকে সৃষ্টি করবেন, যিনি পৃথিবীকে ইনসাফ দ্বারা পূর্ণ করবেন, যেমন তা জুলম ও অত্যচারে পরিপূর্ণ ছিল।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩৪

আহমদ ইবন ইবরাহীম (র) --- উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, মাহদী আমার ঔরসজাত ফাতিমার বংশ থেকে হবে।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩৫

সাহল ইবন তাম্মাম (র) --- আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মাহদী আমার বংশােদ্ভুত হবে, যার ললাট (কপাল) প্রশস্ত ও নাক উচু হবে। যিনি পৃথিবীকে আদল-ইনসাফ দ্বারা এরূপ পূর্ণ করবেন, যেরূপ তা অন্যায়-অবিচারে পূর্ণ ছিল। তিনি সাত বছর রাজত্ব করবেন।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩৬

মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (র) --- নবী (সাঃ) এর স্ত্রী উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একজন খলীফার মৃত্যুর সময় মতানৈক্য দেখা দিলে এবং সে সময় মদীনা থেকে এক ব্যক্তি পালিয়ে মক্কায় আসলে, সেখানকার অধিবাসিগণ তার পাশে সমবেত হবে এবং তাকে ইমামতি করার জন্য সামনে পাঠাবে। কিন্তু সে ব্যক্তি তা অপসন্দ করবে। এরপর লােকেরা তার হাতে "হাজরে আসওয়াদ" ও "মাকামে ইবরাহীমের" মাঝে বায়আত গ্রহণ করবে। সে সময় শামদেশ থেকে তার বিরুদ্ধে একদল সৈন্য প্রেরিত হবে, যারা মক্কা ও মদীনার মাঝে অবস্থিত "বায়দা" নামক স্থানে মাটিতে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। লােকেরা যখন এ অবস্থা দেখবে, তখন শাম ও ইরাকের ওলী-আবদালগণ তার নিকট উপস্থিত হয়ে, “হাজরে-আসওয়াদ’ ও ‘মাকামে-ইবরাহীমের মাঝে বায়আত গ্রহণ করবে। এরপর কুরায়শ বংশে এমন এক ব্যক্তি জন্ম গ্রহণ করবে। যার মা হবে কালব গােত্রের। যারা তাদের বিরুদ্ধে একদল সৈন্য পাঠাবে এবং এ যুদ্ধে তারা বিজয়ী হবে। এরা কালৰ' গােত্রের সেই সৈন্য, যারা মাহদীর সৈন্যদের হাতে পরাজিত হবে। এ সময় যারা কাল গােত্রের গনীমতের মালের অংশ গ্রহণ করার জন্য উপস্থিত হবে না, তাদের জন্য আফসােস ! এরপর মাহদী (আ) গনীমতের মাল লােকদের মাঝে বণ্টন করে দিয়ে, নবী (সাঃ)-এর সুন্নত পুনরুজ্জীবিত করবেন। সে সময় সারা পৃথিবীতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি সাত বছর জীবিত থাকার পর ইনতিকাল করবেন এবং মুসলমানরা তার জানাযার সালাত আদায় করবে।

ইমাম আবু দাউদ (র) বলেন : কোন কোন বর্ণনাকারী হিশাম (র) সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি নয় বছর জীবিত থাকবেন। আবার কেউ কেউ বলেছেনঃ সাত বছর।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩৭



হারুন ইবন আবদুল্লাহ (র) ----- কাতাদা (রা) থেকে এরূপ বর্ণিত আছে। তিনি বলেনঃ মাহদী (আঃ) নয় বছর জীবিত থাকবেন।
ইমাম আবু দাউদ (র) বলেন : রাবী মুয়ায (র) এর বর্ণনা ব্যতিত , হিশাম (র) এর  বর্ণনাতেও নয় বছরের উল্লেখ আছে।
আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৩৮

উছমান ইন আবু শায়বা (র) --- উম্মু সালামা (রা) নবী (সাঃ) থেকে যমীনে-ধসে যাওয়া সম্পর্কিত হাদীছ বর্ণনা প্রসংগে বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করি : ইয়া রাসূলাল্লাহ ! তার কি অবস্থা হবে, যে অনিচ্ছা সত্ত্বেও যুদ্ধে যােগদান করবে। তিনি বলেনঃ সেও তাদের সাথে যমীনে ধসে মারা যাবে, কিন্তু কিয়ামতের দিন তাকে তার নিয়তের উপর উঠানাে হবে।
ইমাম আবু দাউদ (র) হারূন ইবন মুগীরা থেকে, তিনি আবু ইসহাক (র) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা আলী (রা) তার পুত্র হাসানের প্রতি দৃষ্টিপাত করে বলেনঃ আমার এ ছেলে জান্নাতের যুবদের সর্দার, যেমন নবী (সাঃ) বলেছেন। তিনি আরাে বলেনঃ অতি সত্তর তার বংশে এমন এক ব্যক্তি জন্ম গ্রহণ করবে, যার নাম হবে তােমাদের নবীর অনুরূপ। স্বভাব-চরিত্রে তিনি তারই মত হবেন, তবে আকৃতিতে নয়। এরপর আলী (রা) বলেনঃ তিনি পৃথিবীকে আদল-ইনসাফে পরিপূর্ণ করবেন।
হারুন (র) - - - আমর ইবন কায়স (র) থেকে, তিনি হিলাল ইব্‌ন আমর (র) সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ আমি আলী (রা)-কে এরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ “অরাইন-নাহার থেকে এমন এক ব্যক্তি বের হবে, যার নাম হবে ‘হারিছ ইবন "হাররাছ" এবং তার আগে অপর এক ব্যক্তি রেব হবে, যাকে লােকেরা "মানসুর" বলবে। তিনি মুহাম্মদ এর পরিবার পরিজনদের তেমনি ভাবে আশ্রয় দেবেন, যেমনি ভাবে কুরায়শগণ রাসূলুল্লাহ -কে আশ্রয় দিয়েছিল। প্রত্যেক মু'মিনের উচিত হবে তাকে সাহায্য করা এবং তার আহ্বানে সাড়া দেওয়া।আবু দাউদ হাদিস নং ৪২৪০

ধন্যবাদ সবাইকে নিজে শিখুব এবং অপরকে শিখার শুজক করে দিন।

Thursday, March 29, 2018

March 29, 2018

হাদিস কত প্রকার ও কি কি ? - Hadis Koto Prokar O ki kI

হাদিস কত প্রকার ও কি কি?

হাদিস কত প্রকার ও কি কি ?


রাসুল (স:) এর নবুয়াতী জীবনের সকল কথা,কাজ এবং অনুমোদনকে হাদীস বলে। মূল বক্তব্য হিসাবে হাদীস তিন প্রকার ১) কাওলী হাদীস : রাসুল(স:) এর পবিত্র মুখের বানীই কাওলী হাদীস। ২) ফিলী হাদীস: যে কাজ রাসূল (স:) স্বয়ং করেছেন এবং সাহাবীগণ তা বর্ণনা করেছেন তাই ফিলী হাদীস। ৩) তাকরীরী হাদীস : সাহাবীদের যে সব কথাও কাজের প্রতি রাসূল (স:) সমর্থন প্রদান করেছেন তাহাই তাকরীরী হাদীস।

রাবীদের( হাদিস বর্ণনা কারি ) সংখ্যা হিসেবে হাদীস তিন প্রকার:
১। খবরে মুতাওয়াতির: যে হাদীস এত অধিক সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন যাদের মিথ্যার উপর একমত হওয়া অসম্ভব।
২। খবরে মাশহুর: প্রত্যেক যুগে অন্তত: তিনজন রাবী রেওয়ায়েত করেছেন,তাকে খবরে মাশহুর বলে, তাকে মুস্তাফিজ ও বলে।
৩। খবরে ওয়াহেদ বা খবরে আহাদ: হাদীস গরীব আজিজ এবং খবরে মাশহুর এ তিন প্রকারের হাদীদকে একত্রে খবরে আহাদ বলে, প্রত্যেকটিকে পৃথক পৃথকভাবে খবরে ওয়াহিদ বলে।
আযীয হাদীস: যে হাদীস প্রত্যেক যুগে অন্তত দুজন রাবী রেওয়ায়েত করেছেন, তাকে আযীয হাদীস বলে।
গরীব হাদীস: যে হাদীস কোন যুগে মাত্র একজন রাবী বর্ণনা করেছেন। তাকে গরীব হাদীস বলে।

রাবীদের সিলসিলা হিসেবে হাদীস তিন প্রকার
১। মারফু হাদীস: যে হাদীসের সনদ রাসুল(স:) পর্যন্ত পৌছাইয়াছে তাকে মারফু হাদীস বলে।
২। মাওকুফ হাদীস: যে হাদীসের সনদ সাহাবী পর্যন্ত পৌছাইয়াছে তাকে মাওকুফ হাদীস বলে।
৩। মাকতু হাদীস: যে হাদীসের সনদ তাবেয়ী পর্যন্ত পৌছাইয়াছে তাকে মাকতু হাদীস বলে।

রাবী বাদ পড়া হিসাবে হাদীস দুই প্রকার।
১। মুত্তাছিল হাদীস: যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা সর্বস্তরে ঠিক রয়েছে কোথা ও কোন রাবী বাদ পড়ে না তাকে মুক্তাছিল হাদীস বলে।
২। মুনকাতে হাদীস: যে হাদীসের সনদের মধ্যে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে তাকে মুনকাতে হাদীস বলে।

মুনকাতে হাদীস তিন প্রকার:
১। মুরসাল হাদীস: যে হাদীসে রাবীর নাম বাদ পড়া শেষের দিকে অথাৎ সাহাবীর নামই বাদ পড়েছে তাকে মুরসাল হাদীস বলে।
২। মুয়াল্লাক হাদীস: যে হাদীসের সনদের প্রথম দিকে রাবীর নাম বাদ পড়েছে অথার্ৎ সাহাবীর পর তাবেয়ী তাবে তাবেয়ীর নাম বাদ পড়েছে তাকে মুয়াল্লাক হাদীস বলে।
৩। মুদাল হাদীস: যে হাদীসে দুই বা ততোধীক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বিলুপ্ত হয় তাকে মুদাল হাদীস বলে।

বিশ্বস্ততা হিসেবে হাদীস তিন প্রকার
১। সহীহ হাদীস: যে হাদীসের বর্ণনাকারীদের বর্ণনার ধারাবাহিকতা রয়েছে, সনদের প্রতিটি স্তরে বর্ণনাকারীর নাম, বর্ণানাকারীর বিশ্বস্ততা, আস্তাভাজন, স্বরণশক্তি অত্যন্ত প্রখর কোনস্তরে তাদের সংখ্যা একজন হয়নি তাকে সহীহ হাদীস বলে।
২। হাসান হাদীস: সহীহ সবগুনই রয়েছে, তবে তাদের স্বরণ শক্তির যদি কিছুটা দুর্বলতা প্রমাণিত হয় তাকে হাসান হাদীস বলে।
৩। যায়ীফ হাদীস: হাসান, সহীহ হাদীসের গুন সমুহ যে হাদীসে পাওয়া না যায় তাকে যায়ীফ হাদীস বলে।

হাদীসে কুদসী:
যে হাদীসের মুল বক্তব্য আল্লাহ সরাসরি রাসূল(স:) কে ইলহাম বা স্বপ্ন যোগে জানিয়ে দিয়েছেন, রাসূল(স:) নিজ ভাষায় তা বর্ণনা করেছেন তাকে হাদীসে কুদসী বলে।

মুদাল্লাছ হাদীস
যে হাদীসের সনদের দোষ ক্রটি গোপন করা হয় তাকে মুদাল্লাছ হাদীস বলে।

সুনান:
হাদীসের ঐ কিতাবকে সুনান বলা হয় যা ফিক্হ এর তারতীব অনুয়াযী সাজানো হয়েছে।

সুনানে আরবায়া: আবুদাউদ শরীফ+ নাসায়ী শরীফ+তিরমীযী শরীফ+ ইবনে মাজায় শরীফ এই চার হাদীস গ্রন্থকে এক সাথে সুনানে আরবায়া বলা হয়।
মুসনাদ: হাদীসের ঐ কিতাবকে বলা হয় যা সাহাবায়ে কিরামের তারতীব অনুয়াযী লিখা হয়েছে।

সহীহাইন: বুখারী শরীফ ও মুসলীম শরীফকে এক সাথে সহীহাইন বলা হয়।
মুত্তাফাকুন আলাইহি: ইমাম বুখারী (র) ইমাম মুসলিম (র:) উভয়ে একই সাহাবী হতে যে হাদীস স্ব-স্ব প্রান্তে সংকল করেছেন তাকে মুত্তাফাকুন আল্লাইহি বলে।
জামে: যে গ্রন্থে হাদীস সমূহকে বিষয় বস্তু অনুসারে সাজানো হয়েছে এবং যার মধ্যে আকাইদ ছিয়ার তাফসির আহকাম, আদব, ফিতান, রিকাক ও মানাকিব এ আটটি অধ্যায় রয়েছে তাকে জামে বলা হয় যেমন জামে তিরমিযী

১। সনদ: হাদীস বর্ণনা কারীদের ধারাবাহিকতাকে সনদ বলে,
২। মতন: হাদীসের মূল শব্দ সমূহকে মতন বলে।
৩। রেওয়ায়েত: হাদীস বর্ণনা করাকে রেওয়ায়েত বলে।
৪। দেরায়েত: হাদীসের মতন বা মূল বিষয়ে আভ্যান্তরীন সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে যুক্তির কষ্টিপাথরে যে সমালোচনা করা হয় তাকে দেরায়েত বলে।
৫। রিজাল: হাদীস বর্ণনাকারীর সমষ্টিকে রিজাল বলে।
৬। শায়খাইন:মুহাদ্দিসদের পরিভাষায় ইমান বুখারী(র:) ও মুসলিম (র:) কে শায়খাইন বলে।
৭। হাফিজ: যে ব্যাক্তি সনদও মতনের সকল বৃত্তান্ত সহ এক লক্ষ হাদীস মুখস্ত জানেন তাকে হাফিজ বলে।
৭। হুজ্জাত: যে ব্যাক্তি সদন ও মতনের সকল বৃন্তান্ত সহ তিন লক্ষ্য হাদীস মুখস্ত জানেন তাকে হুজ্জাত বলে।
৮। হাকিম: যে ব্যাক্তি সনদ ও মতনের সকল বৃত্তান্ত সহ সকল হাদীস মুখস্থ করেছেন তাকে হাকিম বলে।
৯। সিহাহ্ সিত্তা: সিহাহ্ অর্থ বিশুদ্ব, সিত্তাহ অর্থ ছয়। সিহা সিত্তা এর আভিধানিক অর্থ হল ছয়টি বিশুদ্ব ইসলামী পরিভাষায় হাদীস শাসের ছয়টি নির্ভূল ও বিশুদ্ব হাদীস গ্রন্থকে এক কথায় সিহাহ্ সিত্তা বলা হয়।

সিহাহ্ সিত্তা হাদীস গ্রন্থ গুলো এবং সংকলকদের নাম:
১। সহীহ বুখারী- ইমাম বুখারী (র:)- হাদীস সংখ্যা ৭৩৯৭
২। সহীহ মুসলিম - ইমাম মুসলিম (র:) হাদীস সংখ্যা- ৪০০০
৩। জামি তিরমিযী- ইমাম তিরমিযী (র:) হাদীস সংখ্যা ৩৮১২
৪। সুনানে আবুদাউদ (র:) ইমাম আবুদাউদ (র:) হাদীস সংখ্যা ৪৮০০
৫। সুনানে নাসায়ী – ইমাম নাসাই (র:) হাদীস সংখ্যা ৪৪৮২
৬। সুনানে ইবনে মাজাহ ইমাম ইবনে মাজাহ (র:) হাদীস- ৪৩৩৮

হাদীসের শ্রেণী বিভাগ:
মুল বক্তব্য হিসেবে তিন প্রকার:
১। কাওলী ২। ফেলী ৩। তাকরীর

রাবীদের সংখ্যা হিসেবে তিন প্রকার:
১। খবরে মুতাওয়াতের ২। খবরে মাশহুর ৩। খবরে ওয়াহেদ

রাবীদের সিলসিলা হিসাবে তিন প্রকার :
১। মারফু ২। মাওকুফ ৩। মাকতু

রাবীদের পড়া হিসেবে দুই প্রকার:
১। মুক্তাসিল ২। মুনকাতে

বিশ্বস্ততা হিসেবে তিন প্রকার:
১। ছহীহ্ ২। হাসান। ৩। জয়ীফ

বেশী হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবীগণ:
১। হযরত আবু হুরায়রা (র:)হাদীস সংখ্যা ৫৩৭৪টি মৃত্যু৫৭হিজরী বয়স: ৭৮বছর
২। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (র:) হাদীস সংখ্যা ২২১০টি মৃত্যু ৫৮ হিজরী বয়স: ৬৭বছর
৩। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস(র:) হাদীস সংখ্যা ১৬৬০ মৃত্যু ৫৮ হিজরী বয়স: ৭১বছর
৪। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর(র:) হাদীস সংখ্যা ১৬৩০ মৃত্যু ৭০ হিজরী বয়স: ৮৪বছর
৫। হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (র:) হাদীস সংখ্যা ১৫৪০ মৃত্যু ৭৪ হিজরী বয়স: ৯৪বছর
৬। হযরত আনাস ইবনে মালেক (র:) হাদীস সংখ্যা ১২৮৬ মৃত্যু ৯৩ হিজরী বয়স: ১০৩বছর
৭। হযরত আবু সাঈদ খুদরী হাদীস সংখ্যা ১১৭০ মৃত্যু ৪৬ হিজরী বয়স: ৮৪বছর
৮। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (র:) হাদীস সংখ্যা ৮৪৮ মৃত্যু ৩২ হিজরী বয়স:-
৯। হযরত আমর ইবনুল আস(র:) হাদীস সংখ্যা ৭০০ মৃত্যু ৬৩ হিজরী বয়স:-

ধন্যবাদ সবাইকে ভাল লাগলে সবার সাথে সেয়ার করুন।

Monday, March 26, 2018

March 26, 2018

একটি শিক্ষনিয় গল্প - Ekti Shikkhoniyo Golpo

একটি শিক্ষনিয় গল্প

একটি শিক্ষনিয় গল্প


"এক গর্ভবতী মহিলা প্রচন্ড গরমে পানির পিপাসায় পানির খোঁজ করতে থাকে..কিন্তু
কোথাও পানি পেলেন না..অতপর তিনি ক্লান্ত হয়ে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নিলেন..তিনি হঠাৎ দেখতে পেলেন যে গাছটির নিচে তিনি বসেছিলেন সে গাছটি থেকে একফোটা একফোটা করে পানি পরতেছে..তিনি খুব দ্রুত একটি ছোট কাপের মতো পাত্র নিলেন এবং পানি সংগ্রহ করতে লাগলেন..যখন কাপের অর্ধেক পানি ভর্তি হয়..ঠিক তখনই একটি পাখি এসে কাপটি ফেলে দিলেন..এমন করে তিন বার মহিলাটি অর্ধেক করে পানি ভরলো এবং পাখিটি তিনবার ই ফেলে দিলো..মহিলাটি পাখিটির ওপর ভীষন রাগ করলো এবং একটি পাথর দিয়ে পাখিটি কে আঘাত করলো এবং সেখানেই পাখিটি মারা গেলো..কিছুক্ষন পর মহিলাটি দেখতে পেলো ঐ গাছের ওপর থেকে একটি সাপ নেমে আসতেছে...তখন মহিলাটি বুঝতে পারলো যে পানি তিনি সংগ্রহ করছিলো তা পানি ছিলোনা...তা বিষ ছিলো..পরে মহিলাটি পাখিটির জন্য খুব আফসোস করলো..এবং নিজের ভুল বুঝতে পারলো.. আমরা যখনই কোনো বিপদে থাকি মহান সৃষ্টি কর্তা আমাদের রক্ষা করার জন্য সর্বদা আমাদের পাশে থাকেন,,আমাদের মঙ্গল করার জন্য এখানে পাখিটি মাত্র ওছিলা ছিলো ঐগর্ভবতী মহিলাটির জীবন রক্ষা করারজন্য...সকল ভাই বোনদের উদ্দেশ্য করে বলছি..যে সৃষ্টিকর্তা আমাদের
জন্য এতো কিছুকরে ঐ সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানো আমাদের একান্তই উচিত..সকল কাজে ধৈর্য ধরতে হবে এবংসৃষ্টিকর্তার প্রতি সকল অবস্থাতেই শুকরিয়া করতে হবে......

Saturday, March 10, 2018

March 10, 2018

মানুষকে কিয়ামতের দিন ১২টি শ্রেণীতে স্মাবিত করা হবে - Manushke kiyamoter div 12 Srenite Somabito Hobe

মানুষকে কিয়ামতের দিন ১২টি শ্রেণীতে স্মাবিত করা হবে

হাদিস এর আলোয় ব্যাখ্যা 

এসো ইসলামের পথে


হযরত মুআজ ইবনে জাবাল রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সা. কে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর এই এরশাদ সম্পর্কে অবহিত করুন যে, যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে। একথা শুনে নবী সা. এত  জোরে ক্রন্দ করলেন যে, তার কাপড় মোবারক ভিজে গেল। নবী সা. বললেন, হে মুআজ! তুমি আমাকে বড় ধরনের প্রশ্ন করেছো। আমার উম্মাতকে ১২টি শ্রেণীতে সমবেত করা হবে।


১. তাদেরকে হাত-পা ব্যতিত সমবেত করা হবে। সুতরাং ঘোষক রহমানের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেবে যে, এরা হলো সেই সকল লোক যারা নিজেদের প্রতিবেশীকে কষ্ট দিতো। সুতরাং এটাই তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। আল্লাহর এই ইরশাদের কারণে যে, ‘তোমরা নিকটপ্রতিবেশী ও দুরপ্রতিবেশীদের সাথে সদ্ব্যবহার কর।’ [সূরা নিসা : ৬৩]

২. শূকরের আকৃতিতে কবর থেকে উঠানো হবে। অনন্তর আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা ওই সকল লোক যারা নামাজে অলসতা করেছে। আর এটাই তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। আল্লাহর এই এরশাদের কারণে যে,  ‘অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর যারা তাদের নামাযের ব্যাপারে বেখবর।’ [সূরা মাঊন : ৪-৫]

৩. কবর থেকে পর্বতসম পেট নিয়ে বের হবে। তাদের পেট গাধার মতো সাপ-বিচ্ছুতে ভরপুর হবে। এদিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা সেই সব লোক যারা যাকাত দিত না। এটাই তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। কেননা, আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেছেন  ‘যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জীভূত করে রাখে আর তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে না, তুমি তাদের বেদনাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও। ’ [সূরা তাওবা : ৩৪]

৪. একদল যাদেরকে তাদের কবর থেকে উঠানো হবে এমতাবস্থায় তাদের মুখ দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হবে। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা সেই সকল লোক, যারা বেচাকেনার সময় মিথ্যা কথা বলত। এটাই হলো তাদের শাস্তি, আর তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘নিশ্চয় যারা আল্লাহর অঙ্গীকার ও তাদের শপথের বিনিময়ে খরিদ করে তুচ্ছ মূল্য, পরকালে এদের জন্য কোন অংশ নেই।’ [সূরা আল-ইমরান : ৭৭]

৫. একদল যারা কবর থেকে পেট ফুলা অবস্থায় উঠবে। তাদের দেহ মানুষের লাশ থেকেও অধিক দুর্গন্ধযুক্ত হবে। এদিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষক ঘোষণা  দিবে যে, এরা সেই সকল লোক! যারা মানুষের ভয়ে অপরাধ গোপন করত। কিন্তু আল্লাহকে ভয় করত না। আর এ অবস্থায় তারা মারা গেল।  এটাই হলো তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেন- ‘এরা মানুষের নিকট গোপন করে, কিন্তু আল্লাহর নিকট গোপন করে না।’ [সূরা নিসা : ১০৮]

৬.  একদল গলা ও পিঠ কাটা অবস্থায়  উঠবে। এদিকে ঘোষক আল্লাহ পক্ষ থেকে ঘোষণা দিবে যে, এরা সেই সকল লোক যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দিত। সুতরাং এটাই তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দিগুণ হবে এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে।’

৭. একদল তারা কবর থেকে জিহ্বা ব্যতীত উঠবে তাদের মুখ থেকে রক্ত ও পুঁজ বের হবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা সেই সকল লোক যারা সঠিক সাক্ষ্য দিতে বাঁধা দিতো। এটাই হলো তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘আর তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না এবং যে কেউ তা গোপন করে, অবশ্যই তার অন্তর পাপী।’ [সূরা বাকারা : ২৮৩]

৮. একদল কবর থেকে এভাবে উঠবে যে, তাদের মাথা উল্টানো থাকবে এবং তাদের মাথার ওপর পা থাকবে। ঘোষক আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা দেবে যে, এরা সেই সকল লোক! যারা ব্যভিচার করেছে এবং তওবা না করে মারা গিয়েছে। এটাই হলো তাদের শাস্তি এবং তাদের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘আর ব্যভিচারের কাছেও যেওনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।’ [সূরা আল-ইসরা : ৩২]

৯. একদল কবর থেকে কালো চেহারা, নীল চক্ষু এবং পেট ভর্তি আগুনসহ উঠবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা সেই সকল লোক! যারা ইয়াতিমের মাল-সম্পদ জুলুম করে ভক্ষণ করেছে। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘যারা ইয়াতিমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেরদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।’ [সূরা নিসা : ১০]

১০. একদল শ্বেত ও কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত অবস্থায় উঠবে। ঘোষক আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা দেবে যে, এরা সেই সকল লোক যারা পিতা-মাতার সাথে দুর্ব্যবহার করেছে। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘তোমরা পিতামাতার সাথে সদাচরণ কর।’ [সূরা বাকারা : ৮৩]

১১. একদল কবর থেকে চোখ অন্ধ অবস্থায় উঠবে, তাদের দাঁত ষাঁড়ের শিংয়ের মতো দেখা যাবে। তাদের ঠোঁটসমূহ বুকের ওপর নিক্ষিপ্ত হবে, যবান পেটের এবং রানের উপর নিক্ষিপ্ত হবে। তাদের পেট থেকে ঢেকুর বের হবে। আর ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা সেই সকল লোক! যারা মদ পান করত। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,  ‘মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ধারক শরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব এগুলো থেকে বেঁচে থাক।’ [সূরা মায়েদা : ৯০]

১২. এক দল পূর্ণিমার চন্দ্রের মতো উজ্জ্বল চেহারা বিশিষ্ট অবস্থায় উঠবে। তারা ক্ষিপ্র বিদ্যুতের মতো পুলসিরাত পার হবে। আর ঘোষক ঘোষণা দিবে যে, এরা নেক কাজ করেছে এবং গোনাহ বর্জন করেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েছে এবং তওবা অবস্থায় মারা গিয়েছে। সুতরাং তাদের প্রতিদান হলো জান্নাত, ক্ষমা, অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, তোমরা ভয় করো না এবং বিচলিত হয়ো না। [তাফসীরে কাবীর, তাম্বীহুল গাফেলীন,  দুররাতুন নাসেহীন : ১৬৬]

ধন্যবাদ বিষয়টি পড়ার জন্যে (আল্লাহ তায়ালা সবাইকে হেফাজত করুন)
আমিন

Saturday, February 10, 2018

February 10, 2018

সেরা কুরআন শেখার ওয়েবসাইট - best Learning Site For Quran

সেরা কুরআন শেখার ওয়েবসাইট - best Learning Site For Quran

best Learning Site For Quran

কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালই আছেন।আজ আমি আপনাদের জন্য এটি ওয়েবসাইট নিয়ে আসলাম quran.com এই সাইট থেকে আপনি খুব সুন্দর করে কুরআন শিখতে পারবেন।

best Learning Site For Quran


ওয়েবসাইটির বৈশিষ্ট

১/ শব্দে শব্দে উচ্চারণ।

২/ খুব স্পষ্ট শব্দ ।

৩/ স্পষ্ট ও বড় লেখা।

৪/ কুরআন  তরজমা (ইংলিশ)

৫/ সাথে সুন্দর কন্ঠে কুরআন তেলাওয়াত।


best Learning Site For Quran

নিচের বাটনটিতে চাপ দিন আর সাইটে প্রবেশ করুন

Go to this site


ভিডিওটি দেখুন ধন্যবাদ

Saturday, February 3, 2018

February 03, 2018

আল্লাহ্,র ৯৯টি নাম আরবির সাথে বাংলা - Allahor 99 Name

 আল্লাহ্,র ৯৯টি নাম আরবির সাথে বাংলা - Allahor 99 Name

 
allah is one


আল্লাহ্,র ৯৯টি নাম (আরবি: أسماء الله الحسنى‎‎) হলো ইসলাম ধর্মমতে কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত আল্লাহ্‌র গুণবাচক নামের একটি তালিকা বা সংকলন। ইসলাম ধর্মমতে, বুনিয়াদি নাম বা ভিত্তি নাম একটিই, আর তা হলো আল্লাহ্, কিন্তু তার গুণবাচক নাম অনেকগুলো।

বিভিন্ন হাদীস অণুসারে, আল্লাহ'র ৯৯টি নামের একটি তালিকা আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম নেই; তাই সম্মিলিত মতৈক্যের ভিত্তিতে কোনো সুনির্দিষ্ট তালিকাও নেই। তাছাড়া কূরআন এবং হাদিসের বর্ণনা অণুসারে আল্লাহ্'র সর্বমোট নামের সংখ্যা ৯৯-এর অধিক, প্রায় ৪,০০০। অধিকন্তু আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ কর্তৃক বর্ণিত একটা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ্ তার কিছু নাম মানবজাতির অজ্ঞাত রেখেছেন।



আল্লাহ আল্লাহ অসংখ্যবার ব্যবহৃত।
 ২ الرحمن আর রাহমান পরম দয়ালু সূরা তাওবাহ ব্যতীত প্রত্যেক সূরার শুরুতে, সূরা আর-রহমানে(সূরা নং:৫৫)[কুরআন 55:1] অনেকবার ব্যবহৃত।
 ৩ الرحيم আর-রহী'ম অতিশয়-মেহেরবান সূরা তাওবাহ ব্যতীত প্রত্যেক সূরার শুরুতে, এবং আরো অসংখ্যবার ব্যবহৃত।
 ৪ الملك আল-মালিক সর্বকর্তৃত্বময় 59:23, 20:114, 23:116
 ৫ القدوس আল-কুদ্দুস নিষ্কলুষ, অতি পবিত্র 59:23, 62:1
 ৬ السلام আস-সালাম নিরাপত্তা-দানকারী, শান্তি-দানকারী 59:23
 ৭ المؤمن আল-মু'মিন নিরাপত্তা ও ঈমান দানকারী 59:23
 ৮ المهيمن আল-মুহাইমিন পরিপূর্ন রক্ষণাবেক্ষণকারী 59:23
 ৯ العزيز আল-আ'জীজ পরাক্রমশালী, অপরাজেয় 3:6, 4:158, 9:40, 48:7, 59:23
 ১০ الجبار আল-জাব্বার দুর্নিবার 59:23
 ১১ المتكبر আল-মুতাকাব্বিইর নিরঙ্কুশ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী 59:23
 ১২ الخالق আল-খালিক্ব সৃষ্টিকর্তা 6:102, 13:16, 39:62, 40:62, 59:24
 ১৩ البارئ আল-বারী সঠিকভাবে সৃষ্টিকারী 59:24
 ১৪ المصور আল-মুছউইর আকৃতি-দানকারী 59:24
 ১৫ الغفار আল-গফ্ফার পরম ক্ষমাশীল 20:82, 38:66, 39:5, 40:42, 71:10
 ১৬ القهار আল-ক্বাহার কঠোর 12:39, 13:16, 14:48, 38:65, 39:4, 40:16
 ১৭ الوهاب আল-ওয়াহ্হাব সবকিছু দানকারী 3:8, 38:9, 38:35
 ১৮ الرزاق আর-রজ্জাক্ব রিযকদাতা 51:58
 ১৯ الفتاح আল ফাত্তাহ বিজয়দানকারী 34:26
 ২০ العليم আল-আ'লীম সর্বজ্ঞ 2:158, 3:92, 4:35, 24:41, 33:40
 ২১ القابض আল-ক্ববিদ্ব' সংকীর্ণকারী 2:245
 ২২ الباسط আল-বাসিত প্রশস্তকারী 2:245
 ২৩ الخافض আল-খফিদ্বু অবনতকারী 53:6
 ২৪ الرافع আর-রফীই' উন্নতকারী 58:11, 6:83
 ২৫ المعز আল-মুই'জ্ব সম্মান-দানকারী 3:26
 ২৬ المذل আল-মুদ্বি'ল্লু (অবিশ্বাসীদের) বেইজ্জতকারী 3:26
 ২৭ السميع আস্-সামিই' সর্বশ্রোতা 2:127, 2:256, 8:17, 49:1
 ২৮ البصير আল-বাছীর সর্ববিষয়-দর্শনকারী 4:58, 17:1, 42:11, 42:27
 ২৯ الحكم আল-হা'কাম অটল বিচারক 22:69
 ৩০ العدل আল-আ'দল পরিপূর্ণ-ন্যায়বিচারক 6:115
 ৩১ اللطيف আল-লাতীফ সকল-গোপন-বিষয়ে-অবগত 6:103, 22:63, 31:16, 33:34
 ৩২ الخبير আল-খ'বীর সকল ব্যাপারে জ্ঞাত 6:18, 17:30, 49:13, 59:18
 ৩৩ الحليم আল-হা'লীম অত্যন্ত ধৈর্যশীল 2:235, 17:44, 22:59, 35:41
 ৩৪ العظيم আল-আ'জীম সর্বোচ্চ-মর্যাদাশীল 2:255, 42:4, 56:96
 ৩৫ الغفور আল-গফুর পরম ক্ষমাশীল 2:173, 8:69, 16:110, 41:32
 ৩৬ الشكور আশ্-শাকুর গুনগ্রাহী 35:30, 35:34, 42:23, 64:17
 ৩৭ العلي আল-আ'লিইউ উচ্চ-মর্যাদাশীল 4:34, 31:30, 42:4, 42:51
৩৮ الكبير আল-কাবিইর সুমহান 13:9, 22:62, 31:30
৩৯ الحفيظ আল-হা'ফীজ সংরক্ষণকারী 11:57, 34:21, 42:6
৪০ المقيت আল-মুক্বীত সকলের জীবনোপকরণ-দানকারী 4:85
৪১ الحسيب আল-হাসীব হিসাব-গ্রহণকারী 4:6, 4:86, 33:39
৪২ الجليل আল-জালীল পরম মর্যাদার অধিকারী 55:27, 39:14, 7:143
৪৩ الكريم আল-কারীম সুমহান দাতা 27:40, 82:6
৪৪ الرقيب আর-রক্বীব তত্ত্বাবধায়ক 4:1, 5:117
৪৫ المجيب আল-মুজীব জবাব-দানকারী, কবুলকারী 11:61
৪৬ الواسع আল-ওয়াসি' সর্ব-ব্যাপী, সর্বত্র-বিরাজমান 2:268, 3:73, 5:54
৪৭ الحكيم আল-হাকীম পরম-প্রজ্ঞাময় 31:27, 46:2, 57:1, 66:2
৪৮ الودود আল-ওয়াদুদ (বান্দাদের প্রতি) সদয় 11:90, 85:14
৪৯ المجيد আল-মাজীদ সকল-মর্যাদার-অধিকারী 11:73
৫০ الباعث আল-বাই'ছ' পুনুরুজ্জীবিতকারী 22:7
৫১ الشهيد আশ্-শাহীদ সর্বজ্ঞ-স্বাক্ষী 4:166, 22:17, 41:53, 48:28
৫২ الحق আল-হা'ক্ব পরম সত্য 6:62, 22:6, 23:116, 24:25
৫৩ الوكيل আল-ওয়াকিল পরম নির্ভরযোগ্য কর্ম-সম্পাদনকারী 3:173, 4:171, 28:28, 73:9
৫৪ القوي আল-ক্বউইউ পরম-শক্তির-অধিকারী 22:40, 22:74, 42:19, 57:25
৫৫ المتين আল-মাতীন সুদৃঢ় 51:58
৫৬ الولي আল-ওয়ালিইউ অভিভাবক ও সাহায্যকারী 4:45, 7:196, 42:28, 45:19
৫৭ الحميد আল-হা'মীদ সকল প্রশংসার অধিকারী 14:8, 31:12, 31:26, 41:42
৫৮ المحصي আল-মুহছী সকল সৃষ্টির ব্যপারে অবগত 72:28, 78:29, 82:10-12
৫৯ المبدئ আল-মুব্দি' প্রথমবার-সৃষ্টিকর্তা 10:34, 27:64, 29:19, 85:13
৬০ المعيد আল-মুঈ'দ পুনরায়-সৃষ্টিকর্তা 10:34, 27:64, 29:19, 85:13
৬১ المحيي আল-মুহ'য়ী জীবন-দানকারী 7:158, 15:23, 30:50, 57:2
৬২ المميت আল-মুমীত মৃত্যু-দানকারী 3:156, 7:158, 15:23, 57:2
৬৩ الحي আল-হাইয়্যু চিরঞ্জীব 2:255, 3:2, 25:58, 40:65
৬৪ القيوم আল-ক্বাইয়্যুম সমস্তকিছুর ধারক ও সংরক্ষণকারী 2:255, 3:2, 20:111
৬৫ الواجد আল-ওয়াজিদ অফুরন্ত ভান্ডারের অধিকারী 38:44
৬৬ الماجد আল-মাজিদ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী 85:15, 11:73,
৬৭ الواحد আল-ওয়াহি'দ এক ও অদ্বিতীয় 2:163, 5:73, 9:31, 18:110
৬৮ الصمد আছ্-ছমাদ অমুখাপেক্ষী 112:2
৬৯ القادر আল-ক্বদির সর্বশক্তিমান 6:65, 36:81, 46:33, 75:40
৭০ المقتدر আল-মুক্ব্তাদির নিরঙ্কুশ-সিদ্বান্তের-অধিকারী 18:45, 54:42, 54:55
৭১ المقدم আল-মুক্বদ্দিম অগ্রসারক 16:61, 17:34,
৭২ المؤخر আল-মুয়াক্খির অবকাশ দানকারী 71:4
৭৩ الأول আল-আউয়াল অনাদি 57:3
৭৪ الأخر আল-আখির অনন্ত, সর্বশেষ 57:3
৭৫ الظاهر আজ-জ'হির সম্পূর্নরূপে-প্রকাশিত 57:3
৭৬ الباطن আল-বাত্বিন দৃষ্টি হতে অদৃশ্য 57:3
৭৭ الوالي আল-ওয়ালি সমস্ত-কিছুর-অনিভাব্ক 13:11, 22:7
৭৮ المتعالي আল-মুতাআ'লি সৃষ্টির গুনাবলীর উর্দ্ধে 13:9
৭৯ البر আল-বার্ পরম-উপকারী, অণুগ্রহশীল 52:28
৮০ التواب আত্-তাওয়াব তাওবার তাওফিক দানকারী এবং কবুলকারী 2:128, 4:64, 49:12, 110:3
৮১ المنتقم আল-মুনতাক্বিম প্রতিশোধ-গ্রহণকারী 32:22, 43:41, 44:16
 ৮২ العفو আল-আ'ফঊ পরম-উদার 4:99, 4:149, 22:60
৮৩ الرؤوف আর-রউফ পরম-স্নেহশীল 3:30, 9:117, 57:9, 59:10
৮৪ مالك الملك মালিকুল-মুলক সমগ্র জগতের বাদশাহ্ 3:26
৮৫ ذو الجلال والإكرام যুল-জালালি-ওয়াল-ইকরাম মহিমান্বিত ও দয়াবান সত্তা 55:27, 55:78
৮৬ المقسط আল-মুক্ব্সিত হকদারের হক-আদায়কারী 7:29, 3:18
৮৭ الجامع আল-জামিই' একত্রকারী, সমবেতকারী 3:9
৮৮ الغني আল-গণিই' অমুখাপেক্ষী ধনী 3:97, 39:7, 47:38, 57:24
৮৯ المغني আল-মুগণিই' পরম-অভাবমোচনকারী 9:28
৯০ المانع আল-মানিই' অকল্যানরোধক 67:21
এই শব্দ সম্পর্কে ৯১ الضار আয্-যর ক্ষতিসাধনকারী 6:17
৯২ النافع আন্-নাফিই' কল্যাণকারী 30:37
৯৩ النور আন্-নূর পরম-আলো 24:35
৯৪ الهادي আল-হাদী পথ-প্রদর্শক 22:54
৯৫ البديع আল-বাদীই' অতুলনীয় 2:117, 6:101
৯৬ الباقي আল-বাক্বী চিরস্থায়ী, অবিনশ্বর 55:27
৯৭ الوارث আল-ওয়ারিস' উত্তরাধিকারী 15:23, 57:10
৯৮ الرشيد আর-রাশীদ সঠিক পথ-প্রদর্শক 2:256, 72:10
৯৯ الصبور আস-সবুর অত্যধিক ধৈর্যধারণকারী 2:153, 3:200, 103:3

Thanks :)